‘মানবিক উন্নয়নে যুব সমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির ভাষণ

শ্রদ্ধেয় সুধীবৃন্দ ও আমার প্রিয় তরুণ-তরুণীগণ! আজকের এ মহতী অনুষ্ঠানে আমি যোগদান করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আমি ধন্যবাদ জানাই এ অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের এই জন্য যে, তাঁরা আমাকে শুধু আমন্ত্রণই নয়, আজকের তৃতীয় অধিবেশনে আমাকে সভাপতির আসনে বসাবার মতো মানসিকতা অর্জন করেছেন। আমি একজন পল্লীবাসী অশিক্ষিত কৃষক। এ দেশের কৃষকরা শিক্ষিত সমাজের কোনো সভা-সমিতিতে আমন্ত্রিত হয় না, একমাত্র রাজনৈতিক দলের ভোটের সময় ছাড়া। কিন্তু তা-তো আমন্ত্রণ নয়, সে হচ্ছে বড়শি ফেলে মাছেদের টোপ গেলানো – নেতাদের স্বার্থসিদ্ধির কৌশলমাত্র। কিন্তু স্বার্থহীন ভাবে কেউ যদি আমাদের আমন্ত্রণ জানায়, তবে তা হয় উদ্যোক্তাদের উদারতার পরিচয় এবং আমাদের আনন্দ ও গৌরবের বিষয়। রাজনৈতিক নেতারা নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে কৃষক, শ্রমিক, কামার, কুমার, মুটে-মজুরকে ডেকে নানারূপ দরদ দেখান, ওয়াদা করেন – ৬ দফা, ৯ দফা, অকপটভাবে; আবির্ভূত হন তাঁরা মানবতার প্রতীক রূপে, উঁচিয়ে ধরেন আশার আলোকবর্তিকা। আর আমরা সর্বহারার দল যারা আছি, তাঁরা ঝাঁপিয়ে পড়ি পতঙ্গের মতো সে আলোর আকর্ষণে। কিন্তু এ কথা প্রমানিত সত্য যে, সে আলোয় স্নিগ্ধ হইনি আমরা কখনো, দগ্ধ হওয়া ছাড়া।

আজকাল ‘মানবতা’ বা ‘মানবতাবাদ’ কথাটার বড় ছড়াছড়ি। দেখেশুনে মনে হয় যে, কথাটা অতি আধুনিক কালের এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা। বস্তুত তা নয়। আজ পৃথিবীতে ছোট বড় যতগুলি ধর্মমত প্রচলিত আছে, তার প্রত্যেকটি ধর্মই ‘মানবতা’কে দিয়েছে প্রাধান্য। কাঙ্গালকে ভিক্ষা দাও, দীন-দুঃখীকে সাহায্য কর, দুস্থজনের সেবা কর ইত্যাদি বাক্যগুলো সব ধর্মেই বিদ্যমান। কিন্তু অনেক ধার্মিকের কাছে ধর্মাচরণ এখন দৈনিক, সাপ্তাহিক ও বার্ষিক অনুষ্ঠান-আরাধনায়ই সীমাবদ্ধ।

আজ মনে পড়ে আমার গতবারে কুরবানির সময়ে ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশনের দৃশ্যটি। হয়তো আপনারাও দেখেছেন কেউ কেউ। স্টেশনের যত্রতত্র দেখা যায় সর্বহারা ও গৃহহারার দল। তারা গগনচুম্বী অট্টালিকার পাশেই বাস করছে খোলা গগনের নিচে। তাদের উদরে অন্ন, পড়নে বস্ত্র, রোগের ঔষধ নেই, উপবাসী মা’দের বুকে দুধ নেই, কোলের শিশুগুলি কাঁদছে পথিকের দিকে তাকিয়ে।

সেবারে স্টেশনের একাংশে বসেছিলো কোরবানির পশু বিক্রির বিরাট বাজার এবং সেখানে চলছিলো কে কতো বেশি মূল্যের গরু কিনে কোরবানি করবেন তার পাল্লা। একজন (তিনি ধার্মিক কি না, জানি না) ১৪ হাজার টাকা মূল্যে একটি গরু কিনে জন চারেক চাকরের হাতে গরুর রশি দিয়ে রাস্তার মধ্যখান দিয়ে সগর্ভে বুক ফুলিয়ে যাচ্ছেন। আর রাস্তার পাশেই এক সর্বহারা পেটের দায়ে লাউয়ের ছোলা সিদ্ধ করে খাচ্ছে। এ দৃশ্য শুধু কমলাপুরেই নয়, দেশের সর্বত্রই ঐরূপ উন্নতমানের ধার্মিকের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। আমাদের অঞ্চলেও এমন অনেক ধার্মিক আছেন, যারা চল্লিশ হাজার টাকা ব্যয়ে হজব্রত পালন করছেন, অথচ কুলির পয়সা নিয়ে ঝগড়া বাধাচ্ছেন।

আমার কথাগুলো শুনে কেউ যেন মনে না করেন যে, আমি ধর্মের আচার-অনুষ্ঠানগুলো পালনের বিরোধিতা করছি। আমি দাবি করছি মানবতার অগ্রাধিকার মাত্র।

যদিও এ কথা স্বীকৃত হয়ে থাকে যে, পশু, পাখি, কীট পতঙ্গ এমনকি জল, বায়ু, অগ্নি ইত্যাদিরও এক একটি ধর্ম আছে, তত্রাচ বিশ্বমানবের ধর্ম বনাম ‘মানবধর্ম’ বলে একটা আন্তর্জাতিক ধর্মকে স্বীকার করা হয় না। আচার, অনুষ্ঠান, প্রার্থনা পদ্ধতি ইত্যাদি এমন কোন বিষয় নেই, যাতে সকল ধর্ম একমত পোষণ করে। কিন্তু মানবতা? মানবতাবর্জিত কোন ধর্ম পৃথিবীতে নেই। আর্তের সেবা, দুস্থের প্রতি দয়া, অহিংসা, পরোপকার ইত্যাদি সব ধর্মে শুধু স্বীকৃতই নয়, একান্ত পালনীয় বিধান। সুতরাং সব ধর্মের স্বীকৃত যে মতবাদ, অর্থাৎ মানবতাবাদই হওয়া উচিত মানুষের আন্তর্জাতিক ধর্ম বনাম মানবধর্ম।

কারা চায় দেশে মানবতার প্রতিষ্ঠা হোক? কারা মানবতার প্রত্যাশী? তাই বলছি।

জগতে রোদন ও বিলয় এসেছে দুর্বলের জন্য, সবলের জন্য নয়। প্রত্যাশিত বস্তু পাবার জন্য দুর্বল রোদন করে, কিন্তু সবল তা কেড়ে নেয় এবং দুর্বল বিনয় করে, আর সবল করে দাবী। এই শক্তিহীনের দলে যারা আছে )শতকরা প্রায় ৮০ জন), তারাই ভরসা রাখে মানবতার উপর এবং কামনা করে দেশে ‘মানবতাবাদ’- এর প্রতিষ্ঠা হোক। বলা বাহুল্য যে, আমি সেই শক্তিহীনের দলেরই একজন। তাই দেশে ‘মানবতাবাদ’ প্রতিষ্ঠা লাভ করুক, এই আমার কাম্য।

আমি একজন মানবদরদী এমন কথা বলছি না। তবে মানবতাকে শ্রদ্ধা করি ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের চেয়ে বেশি এবং পালনও করে থাকি আমার সামান্য শক্তি দিয়ে যতটুকু পারি। এখন আমি এ সম্বন্ধে দু-একটি কথা বলতে চাই। কিন্তু তা বলবার পূর্বে আপনাদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি – কথাগুলোকে আত্মশ্লাঘামূলক বলে বিবেচনা না করার জন্য।

জন্ম আমার ১৩০৭ সালে, বরিশালের অদূরবর্তী লামচরি গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে। ১৩১১ সালে বাবা মারা যান এবং ১৩১৭ সালে আমার বিত্ত এবং ১৩১৮ সালে বসতঘরখানা নিলাম করে নেন সদাশয় মহাজনেরা। তখন বেঁচে থাকার আর কোন উপায় ছিলো না দশ দুয়ারের সাহায্য ছাড়া। আমাদের গ্রামে সে সময় কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিলো না বলে বিদ্যাশিক্ষার কোন সুযোগ আমার ঘটে নি বর্ণবোধ ব্যতীত। পেটের দায়ে কৃষিকাজ শুরু করতে হয় অল্প বয়সে এবং কৃষিকাজের ফাঁকে ফাঁকে সামান্য পড়ালেখা চর্চা করি আমি ঘরে বসেই।

আমার ঊর্ধ্বতন পাঁচ পুরুষের বয়সের গড় হিসাব করে জানতে পেরেছিলাম যে, তাদের গড় পরমায়ু ছিলো ৬০ বছর করে। তাই বংশের রেওয়াজ মোতাবেক আমিও আমার পরমায়ু ৬০ বছর কল্পনা করে ১৩৬৭ সালে যখন আমার বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হয় তখন, স্থাবরাস্থাবর যাবতীয় সম্পত্তি, এমনকি বসত ঘরখানা পর্যন্ত পুত্র-কন্যাদের ফরায়েজ বিধান মতে দান ও বন্টন করে দিয়ে সম্পূর্ণ রিক্ত হয়ে তাদের পোষ্য হয়ে জীবন যাপন করছি। সম্পত্তি দান ও বন্টনকালে আমি আমার ওয়ারিশগণের মধ্যে ঘোষণা করেছি যে, নিজ দেহটি ভিন্ন এখন আমার আর কোন সম্পদ নেই। সুতরাং ভবিষ্যতে এ দেহটি খাটিয়ে যদি কোন অর্থ উপার্জন করতে পারি, তবে তার উপর তোমাদের কারো কোন দাবিদাওয়া থাকবে না, তা সমস্তই আমি যে কোনোরূপ জনকল্যাণে দান করবো।

উক্ত ঘোষনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৩৬৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত যে অর্থ বা সম্পত্তি উপার্জন করতে পেরেছি, তা সমস্তই জনকল্যাণে দান করেছি। এখন আমি আমার জনসেবার বিষয় ও পদ্ধতি সম্বন্ধে সংক্ষেপে কিঞ্চিৎ আলোচনা করছি।

১. লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা

জনসাধারণের জ্ঞানোন্নয়নের উদ্দেশ্যে প্রায় ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি ক্ষুদ্র পাকা লাইব্রেরী স্থাপনপূর্বক তা জনগণের পক্ষে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটির বরাবরে রেজিস্ট্রিকৃত ট্রাস্টনামা দ্বারা দান করেছি। কমিটির স্থায়ী সভাপতি হচ্ছেন (পদাধিকার বলে) মাননীয় বাকেরগঞ্জ জেলা প্রশাসক সাহেব এবং লাইব্রেরীটির শুভ উদ্বোধন পূর্বে পৌরোহিত্য করেছেন তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মাননীয় আব্দুল আউয়াল সাহেব।

২. মজুত তহবিল

উপরোক্ত দানপত্রের অধিনে জনতা ব্যাংক, বরিশাল চকবাজার শাখায় ১২ হাজার টাকা স্থায়ী আমানত রেখেছি। যার বার্ষিক লভ্যাংশের পরিমাণ ১৮শ’ টাকা। উক্ত লভ্যাংশের টাকা থেকে ৫০ টাকা রিজার্ভ রেখে ১,৭৫০ টাকা নিম্নলিখিত নিয়ম মাফিক জনকল্যাণের কাজে ব্যয় করা হচ্ছে ও হবে।

নিয়মাবলী

ক. বৃত্তিদান

নিকটতম ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রত্যেকটিতে বার্ষিক এক শত টাকা করে মোট ৪ শত টাকা এবং একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৫০ টাকা, একুন বৃত্তিপ্রদান ৫৫০ টাকা। এতদ্ভিন্ন রিজার্ভ তহবিলের টাকার লভ্যাংশ দ্বারা প্রতি ৭-৮ বছরে একটি করে বৃত্তিদানযোগ্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো হবে। উল্লেখ্য যে, বিদ্যালয়সমূহের বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে আলোচ্য বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে ও হবে এবং এ বৃত্তিদান অনন্তকাল চলবে।

খ. ভিক্ষাদান

স্থানীয় নিকটতম ২০ জন কাঙ্গাল-কাঙ্গালীকে ভিক্ষাদান মোট ১ শত টাকা। বর্তমানে এ ভিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে ৩রা পৌষ আমার জন্মদিনে এবং আমার মৃত্যুর পরে দেয়া হবে মৃত্যুদিনে।

গ. পুরস্কার প্রদান

আমার প্রদত্ত রে.  ট্রাস্টনামা দলিলের ৬ ন. দফাটিতে পুরস্কার প্রদান সম্পর্কে যে ঘোষণা লিপিবদ্ধ আছে, তা এখানে উদ্ধৃত করছি।

“মানব কল্যাণের উদ্দেশ্যে ‘বিশ্বমানবতাবাদ’ বনাম ‘মানবধর্ম’- এর উৎকর্ষজনক একটি উৎকৃষ্ট প্রবন্ধ রচনার জন্য রচয়িতাকে ১০০.০০ টাকা (বার্ষিক প্রতিযোগিতামূলক) পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীগণের মধ্যে এই পুরস্কার প্রদানানুষ্ঠান সম্পাদনের জন্য উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাইতে হইবে। আমি আশা করি যে, বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ আমার এই কাজে সহযোগিতা দান করবেন। কর্তৃপক্ষের নির্দেশিত তারিখে বা তৎপূর্বে বিভাগ প্রধানের কাছে উক্ত টাকা পাঠাইতে হইবে। এই পুরস্কার আবহমানকাল চলিতে থাকিবে।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকবৃন্দের অনেকেই বাংলাদেশ দর্শন সমিতিরও সদস্য। এবারে তাঁদের কাছে উক্ত পুরস্কার প্রদান সম্বন্ধে আবেদন জানালে তাঁরা স্থির করেছেন যে, পুরস্কার দেয়ার কাজটি বাংলাদেশ দর্শন সমিতির কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবেন এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে তা সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে সমিতির কর্তৃপক্ষ স্থীর করেছেন যে, পুরস্কারটি প্রতি বছরের পরিবর্তে প্রতি দ্বিতীয় বছরে প্রদত্ত হবে এবং তাতে পুরস্কারের পরিমাণ হবে দু’শ টাকা করে। বর্তমান বছর থেকে উক্ত পুরস্কার প্রদানের কাজটি শুরু করা হবে।

প্রকাশিতব্য এই যে বৃত্তিদানের ন্যায় ভিক্ষা এবং পুরস্কার প্রদানও অনন্তকাল ধরে চলবে।

৩. বিবিধ

পূর্বোক্ত কাজগুলি সমাধা করে অবশিষ্ট টাকা লাইব্রেরী পরিচালনা ও উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয়িত হবে।

শ্রদ্ধেয় সুধীবৃন্দ ও আমার প্রিয় তরুণ-তরুণীগণ! বর্তমানে আমি কপর্দকশূন্য, সর্বহারা। মানব কল্যাণে দান করার মতো আমার আর কোনো সম্পদ নেই, একমাত্র নিজ দেহটি ভিন্ন। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার মরদেহটি মানবকল্যাণে দান করবার জন্য। এবং সে মর্মে একখানা দানপত্র রেজিস্ট্রী করে দিয়েছি বিগত ৫-১২-৮১ তারিখে, বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজের অনুকূলে। আর চক্ষু দান করেছি চক্ষু ব্যাংকে।

আমি এমন কথা বলছি না যে, আপনারা যারা মানবতাবাদ-এর পথযাত্রী আছেন, তাঁরা আমার পথেই গমন করবেন। তবে এটুকু বলতে চাই যে, আমার নির্বাচিত পথেই হোক, অথবা কোন সহজ ও উত্তম পথেই হোক – মানবতাবাদ প্রচার ও প্রসার দেখতে পেলে আমি সুখী হবো, হয়তো শান্তি পাবে আমার বিদেহী আত্মা।

মহান সুধীবৃন্দ! আমি আপনাদেরকে আর অধিক কষ্ট দিতে চাই না। আপনাদের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে, জীবনের অন্তিম কালে আপনাদের কাছে বিদায় নিচ্ছি, হয়তো চিরবিদায়।

ধন্যবাদ, শুভ হোক।

১১.৬.১৯৮৩

১. মানুষের পক্ষে

২. নিবেদন

৩. সৃষ্টি রহস্য

৪. ম্যাকগ্লেসান চুলা

অপ্রকাশিত

৫. কৃষকের ভাগ্য গ্রহ

৬. সীজের ফুল

৭. সংক্ষিপ্ত জীবন বাণী

৮. ভাষণ সংকলন

৮.১ মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ভাষণ

৮.২ বাংলাদেশ সোসিও-ফিলসফিক হিউম্যানিস্ট গিল্ড সেমিনারে ভাষণ

৮.৩ আরজ মঞ্জিল লাইব্রেরীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ

৮.৪ নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠানে ভাষণ

৮.৫ গুণী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভাষণ

৮.৬ বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর অনুষ্ঠানে ভাষণ

৮.৭ আরজ মঞ্জিল লাইব্রেরীর বার্ষিক বিবরণী ভাষণ

৮.৮ মানবিক উন্নয়নে যুব সমাজের ভূমিকা সেমিনারে ভাষণ

৮.৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সভায় ভাষণ

৮.১০ আরজ মঞ্জিল লাইব্রেরীর বার্ষিক অধিবেশনে ভাষণ

৮.১১ বার্ষিক বৃত্তিপ্রদান উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ

৮.১২ বাংলাদেশ কুটির শিল্প সংস্থায় ভাষণ

৮.১৩ আরজ মঞ্জিল লাইব্রেরীর বার্ষিক বিবরণী ভাষণ

৮.১৪ বাংলাদেশ দর্শন সমিতিতে ভাষণ

৮.১৫ বার্ষিক বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে ভাষণ

৮.১৬ আরজ মঞ্জিল লাইব্রেরীতে ভাষণ

৮.১৭ বাংলা একাডেমীর সংবর্ধনা ভাষণ

৮.১৮ আরজ মঞ্জিল লাইব্রেরীর ষষ্ঠ বার্ষিক অনুষ্ঠানে ভাষণ

৯. নির্ঘণ্ট

১০. বিভিন্ন আলোকচিত্র

0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x