০২৩. সূরাঃ আল মু’মিনুন

আয়াতঅবতীর্ণঃ মক্কা
আয়াত সংখ্যাঃ ১১৮
রুকূঃ ৬
০০১قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ
অবশ্যই সফলকাম হয়েছে মু’মিনগণ।
০০২الَّذِينَ هُمْ فِي صَلَاتِهِمْ خَاشِعُونَ
যারা বিনয়-নম্র নিজেদের নামাযে।
০০৩وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ
যারা অসার ক্রিয়া-কলাপ হতে বিরত থাকে।
০০৪وَالَّذِينَ هُمْ لِلزَّكَاةِ فَاعِلُونَ
যারা যাকাত দানে সক্রিয়।
০০৫وَالَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُونَ
যারা নিজেদের যৌন অঙ্গকে সংযত রাখে।
০০৬إِلَّا عَلَىٰ أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ
নিজেদের পত্নী অথবা অধিকারভুক্ত দাসীগণ ব্যতীত, এতে তারা নিন্দনীয় হবে না।
০০৭فَمَنِ ابْتَغَىٰ وَرَاءَ ذَٰلِكَ فَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْعَادُونَ
সুতরাং কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা হবে সীমালঙ্ঘনকারী।
০০৮وَالَّذِينَ هُمْ لِأَمَانَاتِهِمْ وَعَهْدِهِمْ رَاعُونَ
এবং যারা আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে।
০০৯وَالَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَوَاتِهِمْ يُحَافِظُونَ
আর যারা নিজেদের নামাযে যত্নবান থাকে।
০১০أُولَـٰئِكَ هُمُ الْوَارِثُونَ
তারাই হবে উত্তরাধিকারী।
০১১الَّذِينَ يَرِثُونَ الْفِرْدَوْسَ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
উত্তরাধিকারী হবে ফিরদাউসের, যাতে তারা স্থায়ী হবে।
০১২وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ مِن سُلَالَةٍ مِّن طِينٍ
আমি তো মানুষকে সৃষ্টি করেছি মৃত্তিকার মূল উপাদান হতে।
০১৩ثُمَّ جَعَلْنَاهُ نُطْفَةً فِي قَرَارٍ مَّكِينٍ
অতঃপর আমি ওকে শুক্তবিন্দু রূপে স্থাপন করি এক নিরাপদ আঁধারে।
০১৪ثُمَّ خَلَقْنَا النُّطْفَةَ عَلَقَةً فَخَلَقْنَا الْعَلَقَةَ مُضْغَةً فَخَلَقْنَا الْمُضْغَةَ عِظَامًا فَكَسَوْنَا الْعِظَامَ لَحْمًا ثُمَّ أَنشَأْنَاهُ خَلْقًا آخَرَ ۚ فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ
পরে আমি শুক্তবিন্দুকে পরিণত করি রক্তপিন্ডে, অতঃপর রক্তপিন্ডকে পরিণত করি গোশতপিন্ডকে পরিণত করি হাড়সমূহে; অতঃপর হাড়সমূহকে ঢেকে দিই গোশত দ্বারা; অবশেষে ওকে গড়ে তুলি অন্য এক সৃষ্টিরূপে; অতএব সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ কত মহান।
০১৫ثُمَّ إِنَّكُم بَعْدَ ذَٰلِكَ لَمَيِّتُونَ
এরপর তোমরা অবশ্যই মৃত্যুবরণ করবে।
০১৬ثُمَّ إِنَّكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ تُبْعَثُونَ
অতঃপর কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে পুনরুত্থিত করা হবে।
০১৭وَلَقَدْ خَلَقْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعَ طَرَائِقَ وَمَا كُنَّا عَنِ الْخَلْقِ غَافِلِينَ
আমি তো তোমাদের ঊর্ধ্বে সৃষ্টি করেছি সপ্ত স্তর আকাশ এবং আমি সৃষ্টি বিষয়ে অসতর্ক নই।
০১৮وَأَنزَلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً بِقَدَرٍ فَأَسْكَنَّاهُ فِي الْأَرْضِ ۖ وَإِنَّا عَلَىٰ ذَهَابٍ بِهِ لَقَادِرُونَ
এবং আমি আকাশ হতে পানি বর্ষণ করি পরিমিতভাবে, অতঃপর আমি তা মাটিতে সংরক্ষিত করি; আমি ওকে অপসারিত করতেও সক্ষম।
০১৯فَأَنشَأْنَا لَكُم بِهِ جَنَّاتٍ مِّن نَّخِيلٍ وَأَعْنَابٍ لَّكُمْ فِيهَا فَوَاكِهُ كَثِيرَةٌ وَمِنْهَا تَأْكُلُونَ
অতঃপর আমি ওটা দ্বারা তোমাদের জন্যে খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান সৃষ্টি করি; এতে তোমাদের জন্যে আছে প্রচুর ফল; আর তা হতে তোমরা আহার করে থাক।
০২০وَشَجَرَةً تَخْرُجُ مِن طُورِ سَيْنَاءَ تَنبُتُ بِالدُّهْنِ وَصِبْغٍ لِّلْآكِلِينَ
এবং সৃষ্টি করি এক বৃক্ষ যা জন্মে সিনাই পর্বতে, এতে উৎপন্ন হয় ভোজনকারীদের জন্যে যাইতূন তৈল ও রুচিকর তরকারী।
০২১وَإِنَّ لَكُمْ فِي الْأَنْعَامِ لَعِبْرَةً ۖ نُّسْقِيكُم مِّمَّا فِي بُطُونِهَا وَلَكُمْ فِيهَا مَنَافِعُ كَثِيرَةٌ وَمِنْهَا تَأْكُلُونَ
আর তোমাদের জন্যে অবশ্যই শিক্ষণীয় বিষয় আছে চতুষ্পদ জন্তুর মধ্যে; তোমাদেরকে আমি পান করাই ওগুলোর উদরে যা আছে তা হতে এবং তাতে তোমাদের জন্যে রয়েছে প্রচুর উপকারিতা; তোমরা তা হতে ভক্ষণ করে থাক।
০২২وَعَلَيْهَا وَعَلَى الْفُلْكِ تُحْمَلُونَ
এবং তোমরা তাতে ও নৌযানে আরোহণও করে থাক।
০২৩وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِ فَقَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُم مِّنْ إِلَـٰهٍ غَيْرُهُ ۖ أَفَلَا تَتَّقُونَ
আমি নূহ (আঃ)-কে পাঠিয়েছিলাম তার সম্প্রদায়ের নিকট, তিনি বলেছিলেনঃ হে আমার সম্প্রদায়। আল্লাহর ইবাদত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোন সত্য মা’বূদ নেই, তবুও কি তোমরা সাবধান হবে না?
০২৪فَقَالَ الْمَلَأُ الَّذِينَ كَفَرُوا مِن قَوْمِهِ مَا هَـٰذَا إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُرِيدُ أَن يَتَفَضَّلَ عَلَيْكُمْ وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ لَأَنزَلَ مَلَائِكَةً مَّا سَمِعْنَا بِهَـٰذَا فِي آبَائِنَا الْأَوَّلِينَ
তার সম্প্রদায়ের প্রধাণগণ, যারা কুফরী করেছিল, তারা বললঃ এতো তোমাদের মত একজন মানুষ, তোমাদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করতে চাচ্ছে, আল্লাহ ইচ্ছা করলে ফেরেশতাই পাঠাতেন; আমাদের পূর্বপুরুষদের কালে এরূপ ঘটেছে, এ কথা আমরা তো শুনিনি।
০২৫إِنْ هُوَ إِلَّا رَجُلٌ بِهِ جِنَّةٌ فَتَرَبَّصُوا بِهِ حَتَّىٰ حِينٍ
সে তো এমন লোক যাকে উন্মত্ততা পেয়ে বসেছে; সুতরাং এর সম্পর্কে তোমরা কিছুকাল অপেক্ষা কর।
০২৬قَالَ رَبِّ انصُرْنِي بِمَا كَذَّبُونِ
(নূহ আঃ) বলেছিলেনঃ হে আমার প্রতিপালক! আমাকে সাহায্য করুন, কারণ তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলছে।
০২৭فَأَوْحَيْنَا إِلَيْهِ أَنِ اصْنَعِ الْفُلْكَ بِأَعْيُنِنَا وَوَحْيِنَا فَإِذَا جَاءَ أَمْرُنَا وَفَارَ التَّنُّورُ ۙ فَاسْلُكْ فِيهَا مِن كُلٍّ زَوْجَيْنِ اثْنَيْنِ وَأَهْلَكَ إِلَّا مَن سَبَقَ عَلَيْهِ الْقَوْلُ مِنْهُمْ ۖ وَلَا تُخَاطِبْنِي فِي الَّذِينَ ظَلَمُوا ۖ إِنَّهُم مُّغْرَقُونَ
অতঃপর আমি তার কাছে ওহী নাযিল করলামঃ তুমি আমার চোখের সামনে ও আমার ওহী অনুযায়ী নৌযান নির্মাণ কর, অতঃপর যখন আমার আদেশ আসবে ও উনুন উথলিয়ে তখন উঠিয়ে নিয়ো প্রত্যেক জীবের এক এক জোড়া এবং তোমার পরিবার-পরিজনকে, তাদের মধ্যে যাদের বিরুদ্ধ পূর্বে সিদ্ধান্ত হয়েছে তাদের সম্পর্কে তুমি আমাকে কিছু বলো না, আর যারা যুলুম করেছে তাদের ব্যাপারে। তারা তো নিমজ্জিত হবে।
০২৮فَإِذَا اسْتَوَيْتَ أَنتَ وَمَن مَّعَكَ عَلَى الْفُلْكِ فَقُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي نَجَّانَا مِنَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ
যখন তুমি ও তোমার সঙ্গীরা নৌযানে আরোহণ করবে তখন বলঃ “আলহামদু লিল্লাহ” সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই যিনি আমাদেরকে উদ্ধার করেছেন যালিম সম্প্রদায় হতে।
০২৯وَقُل رَّبِّ أَنزِلْنِي مُنزَلًا مُّبَارَكًا وَأَنتَ خَيْرُ الْمُنزِلِينَ
আরো বলঃ হে আমার প্রতিপালক! আমাকেক এমনভাবে অবতরণ করিয়ে নিন যা হবে কল্যাণকর; আর আপনিই শ্রেষ্ঠ অবতরণকারী।
০৩০إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ وَإِن كُنَّا لَمُبْتَلِينَ
এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে; আমি তো তাদেরকে পরীক্ষা করেছিলাম।
০৩১ثُمَّ أَنشَأْنَا مِن بَعْدِهِمْ قَرْنًا آخَرِينَ
অতঃপর তাঁদের পর আমি অন্য এক সম্প্রদায় সৃষ্টি করেছিলাম।
০৩২فَأَرْسَلْنَا فِيهِمْ رَسُولًا مِّنْهُمْ أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُم مِّنْ إِلَـٰهٍ غَيْرُهُ ۖ أَفَلَا تَتَّقُونَ
এরপর তাদেরই একজনকে তাদের নিকট রাসূল করে পাঠিয়েছিলাম; তিনি বলেছিলেনঃ তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোন সত্য মা’বূদ নেই, তবুও কি তোমরা সাবধান হবে না?
০৩৩وَقَالَ الْمَلَأُ مِن قَوْمِهِ الَّذِينَ كَفَرُوا وَكَذَّبُوا بِلِقَاءِ الْآخِرَةِ وَأَتْرَفْنَاهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا مَا هَـٰذَا إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يَأْكُلُ مِمَّا تَأْكُلُونَ مِنْهُ وَيَشْرَبُ مِمَّا تَشْرَبُونَ
তার সম্প্রদায়ের প্রধানগণ, যারা কুফরী করেছিল ও আখিরাতের সাক্ষাৎকে অস্বীকার করেছিল এবং যাদেরকে আমি দিয়েছিলাম পার্থিব জীবনে প্রচুর ভোগ-সম্ভার, তারা বলেছিলঃ এতো তোমাদের মত একজন মানুষ; তোমরা যা আহার কর সে তো তা-ই আহার করে এবং তোমরা যা পান কর সেও তাই পান করে।
০৩৪وَلَئِنْ أَطَعْتُم بَشَرًا مِّثْلَكُمْ إِنَّكُمْ إِذًا لَّخَاسِرُونَ
যদি তোমরা তোমাদেরই মত একজন মানুষের আনুগত্য কর তবে তোমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
০৩৫أَيَعِدُكُمْ أَنَّكُمْ إِذَا مِتُّمْ وَكُنتُمْ تُرَابًا وَعِظَامًا أَنَّكُم مُّخْرَجُونَ
সে কি তোমাদেরকে এই প্রতিশ্রুতিই দেয় যে, তোমাদের মৃত্যু হলে এবং তোমরা মৃত্তিকা ও হাড্ডিতে পরিণত হলেও তোমাদেরকে পুনরুত্থিত করা হবে?
০৩৬هَيْهَاتَ هَيْهَاتَ لِمَا تُوعَدُونَ
অসম্ভব, তোমাদেরকে যে বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তা অসম্ভব।
০৩৭إِنْ هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا الدُّنْيَا نَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا نَحْنُ بِمَبْعُوثِينَ
একমাত্র পার্থিব জীবনই আমাদের জীবন, আমরা মরি ও বাঁচি এখানেই এবং আমরা পুনরুত্থিত হবো না?
০৩৮إِنْ هُوَ إِلَّا رَجُلٌ افْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ كَذِبًا وَمَا نَحْنُ لَهُ بِمُؤْمِنِينَ
সে তো এমন ব্যক্তি যে আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা উদ্ভাবন করেছে এবং আমরা তাকে বিশ্বাস করবার নই।
০৩৯قَالَ رَبِّ انصُرْنِي بِمَا كَذَّبُونِ
সে বললঃ হে আমার প্রতিপালক! আমাকে সাহায্য দান করুন; কারণ, তারা আমাকে মিথ্যবাদী বলে।
০৪০قَالَ عَمَّا قَلِيلٍ لَّيُصْبِحُنَّ نَادِمِينَ
(আল্লাহ) বললেনঃ অচিরেই তারা অনুতপ্ত হবে।
০৪১فَأَخَذَتْهُمُ الصَّيْحَةُ بِالْحَقِّ فَجَعَلْنَاهُمْ غُثَاءً ۚ فَبُعْدًا لِّلْقَوْمِ الظَّالِمِينَ
অতঃপর সত্যসত্যই এক বিকট শব্দ তাদেরকে আঘাত করলো এবং আমি তাদেরকে তরঙ্গ তাড়িত আবর্জনা সদৃশ করে দিলাম; সুতরাং ধ্বংস হয়ে গেল যালিম সম্প্রদায়।
০৪২ثُمَّ أَنشَأْنَا مِن بَعْدِهِمْ قُرُونًا آخَرِينَ
অতঃপর তাদের পরে আমি বহু জাতি সৃষ্টি করেছি।
০৪৩مَا تَسْبِقُ مِنْ أُمَّةٍ أَجَلَهَا وَمَا يَسْتَأْخِرُونَ
কোন জাতিই তার নির্ধারিত কালের আগে যেতে পারে না, বিলম্বিত করতে পারে না।
০৪৪ثُمَّ أَرْسَلْنَا رُسُلَنَا تَتْرَىٰ ۖ كُلَّ مَا جَاءَ أُمَّةً رَّسُولُهَا كَذَّبُوهُ ۚ فَأَتْبَعْنَا بَعْضَهُم بَعْضًا وَجَعَلْنَاهُمْ أَحَادِيثَ ۚ فَبُعْدًا لِّقَوْمٍ لَّا يُؤْمِنُونَ
অতঃপর আমি ধারাবাহিকভাবে আমার রাসূলগণকে প্রেরণ করেছি; যখনই কোঞ্জাতির নিকট তাঁর রাসূল এসেছেন, তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলেছে; অতঃপর আমি তাদের একের পর এক ধ্বংস করলাম, আমি তাদেরকে কাহিনীর বিষয় করেছি; সুতরাং ধ্বংস হোক অবিশ্বাসীরা।
০৪৫ثُمَّ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ وَأَخَاهُ هَارُونَ بِآيَاتِنَا وَسُلْطَانٍ مُّبِينٍ
অতঃপর আমি আমার নিদর্শন ও সুস্পষ্ট প্রমাণসহ মূসা (আঃ) ও তার ভ্রাতা হারূন (আঃ)- কে পাঠালাম;
০৪৬إِلَىٰ فِرْعَوْنَ وَمَلَئِهِ فَاسْتَكْبَرُوا وَكَانُوا قَوْمًا عَالِينَ
ফিরআ’উন ও তার পারিষদবর্গের নিকট; কিন্তু তারা অহংকার করলো; তারা ছিল উদ্ধত সম্প্রদায়।
০৪৭فَقَالُوا أَنُؤْمِنُ لِبَشَرَيْنِ مِثْلِنَا وَقَوْمُهُمَا لَنَا عَابِدُونَ
তারা বললঃ আমরা কি এমন দু’ব্যক্তিতে বিশ্বাস স্থাপন করবো? যারা আমদেরই মত এবং তাদের সম্প্রদায় আমাদের দাসত্ব করে।
০৪৮فَكَذَّبُوهُمَا فَكَانُوا مِنَ الْمُهْلَكِينَ
অতঃপর তারা তাদেরকে মিথ্যাবাদী বলল, ফলে তারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হল।
০৪৯وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ لَعَلَّهُمْ يَهْتَدُونَ
আমি মূসা (আঃ)- কে কিতাব দিয়েছিলাম যাতে তারা সৎপথ পায়।
০৫০وَجَعَلْنَا ابْنَ مَرْيَمَ وَأُمَّهُ آيَةً وَآوَيْنَاهُمَا إِلَىٰ رَبْوَةٍ ذَاتِ قَرَارٍ وَمَعِينٍ
এবং আমি মারইয়াম পুত্র ও তার মাতাকে করেছিলাম এক নিদর্শন, তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছিলাম এক নিরাপদ ও প্রস্রবণ (ঝর্ণা) বিশিষ্ট উচ্চ ভূমিতে।
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x