০০৪. সূরাঃ আন-নিসা

আয়াত নং অবতীর্ণঃ মদিনা
আয়াত সংখ্যাঃ ১৭৬
রুকূঃ ২৪
১০১ وَإِذَا ضَرَبْتُمْ فِي الْأَرْضِ فَلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَن تَقْصُرُوا مِنَ الصَّلَاةِ إِنْ خِفْتُمْ أَن يَفْتِنَكُمُ الَّذِينَ كَفَرُوا ۚ إِنَّ الْكَافِرِينَ كَانُوا لَكُمْ عَدُوًّا مُّبِينًا
আর যখন তোমরা ভূ-পৃষ্ঠে পর্যটন কর, তখন নামাজ সংক্ষেপ (কসর) করলে তোমাদের কোন অপরাধ নেই, যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, যারা অবিশ্বাসকারী তারা তোমাদেরকে বিব্রত করবে; নিশ্চয়ই অবিশ্বাসীরা তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
১০২ وَإِذَا كُنتَ فِيهِمْ فَأَقَمْتَ لَهُمُ الصَّلَاةَ فَلْتَقُمْ طَائِفَةٌ مِّنْهُم مَّعَكَ وَلْيَأْخُذُوا أَسْلِحَتَهُمْ فَإِذَا سَجَدُوا فَلْيَكُونُوا مِن وَرَائِكُمْ وَلْتَأْتِ طَائِفَةٌ أُخْرَىٰ لَمْ يُصَلُّوا فَلْيُصَلُّوا مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا حِذْرَهُمْ وَأَسْلِحَتَهُمْ ۗ وَدَّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْ تَغْفُلُونَ عَنْ أَسْلِحَتِكُمْ وَأَمْتِعَتِكُمْ فَيَمِيلُونَ عَلَيْكُم مَّيْلَةً وَاحِدَةً ۚ وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِن كَانَ بِكُمْ أَذًى مِّن مَّطَرٍ أَوْ كُنتُم مَّرْضَىٰ أَن تَضَعُوا أَسْلِحَتَكُمْ ۖ وَخُذُوا حِذْرَكُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ أَعَدَّ لِلْكَافِرِينَ عَذَابًا مُّهِينًا
এবং যখন তুমি তাদের মধ্যে থাক, তখন তাদের জন্যে (নামাযে ইমামত করবে) নামায প্রতিষ্ঠিত কর, যেন তাদের একদল তোমার সাথে দন্ডায়মান হয় এবং স্ব-স্ব অস্ত্র গ্রহণ করে; অতঃপর যখন সিজদাহ সম্পন্ন সম্পন্ন করে; অতঃপর যখন সিজদাহ সম্পন্ন করে তখন যেন তারা তোমার পশ্চাদবর্তী হয় এবং অন্য দল যারা নামায পড়েনি তারা যেন অগ্রসর হয়ে তোমার সাথে নামায পড়ে এবং স্ব-স্ব সতর্কতা ও অস্ত্র গ্রহণ করে। অবিশ্বাসীরা ইচ্ছে করে যে, তোমরা স্বীয় অস্ত্র-শস্ত্র ও দ্রব্য সম্ভার সম্বন্ধে অসতর্ক হলেই তারা একযোগে তোমাদের উপর নিপতিত হয় এবং তাতে তোমাদের অপরাধ নেই- যদি তোমরা বৃষ্টিতে বিব্রত হয়ে অথবা পীড়িত অবস্থায় স্ব-স্ব অস্ত্র পরিত্যাগ কর এবং স্বীয় সতর্কতা অবলম্বন কর; এবং নিশ্চয়ই আল্লাহ অবিশ্বাসীদের জন্যে অবমাননাকর শাস্তি প্রস্তুত করেছেন।
১০৩ فَإِذَا قَضَيْتُمُ الصَّلَاةَ فَاذْكُرُوا اللَّهَ قِيَامًا وَقُعُودًا وَعَلَىٰ جُنُوبِكُمْ ۚ فَإِذَا اطْمَأْنَنتُمْ فَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ ۚ إِنَّ الصَّلَاةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ كِتَابًا مَّوْقُوتًا
অনন্তর যখন তোমরা নামায সম্পন্ন কর তখন দন্ডায়মান ও উপবিষ্ট এবং এলায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ কর; অতঃপর যখন তোমরা নিরাপদ হও তখন নামায প্রতিষ্ঠিত কর; নিশ্চয়ই নামায বিশ্বাসীগণের উপর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্ধারিত।
১০৪ وَلَا تَهِنُوا فِي ابْتِغَاءِ الْقَوْمِ ۖ إِن تَكُونُوا تَأْلَمُونَ فَإِنَّهُمْ يَأْلَمُونَ كَمَا تَأْلَمُونَ ۖ وَتَرْجُونَ مِنَ اللَّهِ مَا لَا يَرْجُونَ ۗ وَكَانَ اللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا
এবং সে সম্প্রদায়ের অনুসরণে শৈথিল্য করো না যদি তোমরা কষ্ট পেয়ে থাক তবে তারাও তোমাদের অনবুরূপ কষ্টভোগ করেছে এবং তৎসহ আল্লাহ হতে তোমাদের যে আশা (জান্নাতের) আছে, তাদের সে আশা নেই এবং আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।
১০৫ إِنَّا أَنزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ لِتَحْكُمَ بَيْنَ النَّاسِ بِمَا أَرَاكَ اللَّهُ ۚ وَلَا تَكُن لِّلْخَائِنِينَ خَصِيمًا
নিশ্চয়ই আমি তোমার প্রতি সত্যসহ গ্রন্থ অবতীর্ণ করেছি যেন তুমি তদনুযায়ী মানবদের মাঝে বিচার-ফায়সালা করতে পার। যা আল্লাহ তোমাকে শিক্ষা দান করেছেন এবং তুমি বিশ্বাসঘাতকদের পক্ষে বিতর্ককারী হয়ো না।
১০৬ وَاسْتَغْفِرِ اللَّهَ ۖ إِنَّ اللَّهَ كَانَ غَفُورًا رَّحِيمًا
এবং আল্লাহর উপর ক্ষমা প্রার্থনা কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।
১০৭ وَلَا تُجَادِلْ عَنِ الَّذِينَ يَخْتَانُونَ أَنفُسَهُمْ ۚ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ مَن كَانَ خَوَّانًا أَثِيمًا
এবং যারা স্বীয় জীবনের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করে তুমি তাদের পক্ষে বিতর্ক করো না। নিশ্চয়ই আলাহ বিশ্বাসঘাতক পাপীকে ভালবাসেন না।
১০৮ يَسْتَخْفُونَ مِنَ النَّاسِ وَلَا يَسْتَخْفُونَ مِنَ اللَّهِ وَهُوَ مَعَهُمْ إِذْ يُبَيِّتُونَ مَا لَا يَرْضَىٰ مِنَ الْقَوْلِ ۚ وَكَانَ اللَّهُ بِمَا يَعْمَلُونَ مُحِيطًا
তারা মানব হতে আত্মগোপন করে, কিন্তু আল্লাহ হতে গোপন করতে পারে না; এবং তিনি তাদের সঙ্গে থাকেন, যখন তারা রজনীতে তাঁর (আল্লাহর) অপ্রিয় বাক্যে পরামর্শ করে এবং তারা যা করছে আল্লাহ তার পরিবেষ্টনকারী।
১০৯ هَا أَنتُمْ هَـٰؤُلَاءِ جَادَلْتُمْ عَنْهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا فَمَن يُجَادِلُ اللَّهَ عَنْهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَم مَّن يَكُونُ عَلَيْهِمْ وَكِيلًا
সাবধান- তোমরাই ঐ লোক, যারা ওদের পক্ষ হতে পার্থিব জীবন সম্বন্ধে বিতর্ক করছ; কিন্তু কিয়ামতের দিন তাদের পক্ষ হতে কে আল্লাহর সাথে বিতর্ক করবে এবং কে তাদের দায়িত্বশীল হবে?
১১০ وَمَن يَعْمَلْ سُوءًا أَوْ يَظْلِمْ نَفْسَهُ ثُمَّ يَسْتَغْفِرِ اللَّهَ يَجِدِ اللَّهَ غَفُورًا رَّحِيمًا
এবং যে কেউ দুষ্কর্ম করে অথবা স্বীয় জীবনের প্রতি অত্যাচার করে পরে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থী হয়, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল, করুণাময় পাবে।
১১১ وَمَن يَكْسِبْ إِثْمًا فَإِنَّمَا يَكْسِبُهُ عَلَىٰ نَفْسِهِ ۚ وَكَانَ اللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا
এবং যে কেউ পাপ অর্জন করে, বস্তুতঃ সে স্বীয় আত্মারই ক্ষতি করে এবং আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।
১১২ وَمَن يَكْسِبْ خَطِيئَةً أَوْ إِثْمًا ثُمَّ يَرْمِ بِهِ بَرِيئًا فَقَدِ احْتَمَلَ بُهْتَانًا وَإِثْمًا مُّبِينًا
আর যে কেউ অপরাধ অথবা পাপ অর্জন করে, তৎপরে ওটা নিরাপরাধের প্রতি অরোপ করে, তবে সে নিজেই সে অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপ বহন করবে।
১১৩ وَلَوْلَا فَضْلُ اللَّهِ عَلَيْكَ وَرَحْمَتُهُ لَهَمَّت طَّائِفَةٌ مِّنْهُمْ أَن يُضِلُّوكَ وَمَا يُضِلُّونَ إِلَّا أَنفُسَهُمْ ۖ وَمَا يَضُرُّونَكَ مِن شَيْءٍ ۚ وَأَنزَلَ اللَّهُ عَلَيْكَ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَعَلَّمَكَ مَا لَمْ تَكُن تَعْلَمُ ۚ وَكَانَ فَضْلُ اللَّهِ عَلَيْكَ عَظِيمًا
আর যদি তোমার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণা না হতো, তবে তাদের একদল তোমাকে পথভ্রান্ত করতে ইচ্ছুক হয়েছিল, এবং তারা নিজেদেরকে ছাড়া বিপথগামী করেনি আর তারা তোমাকে কোন বিষয়ে ক্লেশ (ক্ষতি) দিতে পারবে না এবং আল্লাহ তোমার প্রতি গ্রন্থ ও বিজ্ঞান অবতীর্ণ করেছেন এবং তুমি যা জানতে না, তিনি তাই তোমাকে শিক্ষা দিয়েছেন এবং তোমার প্রতি আল্লাহর অসীম করুণা রয়েছে।
১১৪ لَّا خَيْرَ فِي كَثِيرٍ مِّن نَّجْوَاهُمْ إِلَّا مَنْ أَمَرَ بِصَدَقَةٍ أَوْ مَعْرُوفٍ أَوْ إِصْلَاحٍ بَيْنَ النَّاسِ ۚ وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ ابْتِغَاءَ مَرْضَاتِ اللَّهِ فَسَوْفَ نُؤْتِيهِ أَجْرًا عَظِيمًا
তাদের অধিকাংশ গুপ্ত পরামর্শে কোন মঙ্গল নিহিত থাকে না, হ্যাঁ, তবে যে ব্যক্তি এরূপ যে দান অথবা কোন সৎ কাজ কিংবা লোকের মধ্যে পরস্পর সন্ধি করে দেবার উৎসাহ প্রদান করে এবং যে আল্লাহর প্রসন্নতা সন্ধানের জন্যেঐরূপ করে, আমি তাকে মহান বিনিময় প্রদান করবো।
১১৫ وَمَن يُشَاقِقِ الرَّسُولَ مِن بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُ الْهُدَىٰ وَيَتَّبِعْ غَيْرَ سَبِيلِ الْمُؤْمِنِينَ نُوَلِّهِ مَا تَوَلَّىٰ وَنُصْلِهِ جَهَنَّمَ ۖ وَسَاءَتْ مَصِيرًا
আর সুপথ প্রকাশিত হওয়ার পর যে রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং বিশ্বাসীগণের বিপরীত পথে অনুগামী হয়, তবে সে যাতে অভিনিবিষ্ট- আমি তাকে তাতেই প্রত্যাবর্তিত করবো ও তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবো এবং ওটা নিকৃষ্টতর প্রত্যাবর্তন স্থল।
১১৬ إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَاءُ ۚ وَمَن يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا بَعِيدًا
নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সাথে অংশী স্থাপন করাকে ক্ষমা করেন না এবং এতদ্বতীত তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করে থাকেন এবং যে আল্লাহর সাথে অংশীস্থাপন করে তবে সে নিশ্চয়ই চরমভাবে গোমরাহ হয়ে গেল।
১১৭ إِن يَدْعُونَ مِن دُونِهِ إِلَّا إِنَاثًا وَإِن يَدْعُونَ إِلَّا شَيْطَانًا مَّرِيدًا
তারা তাঁকে পরিত্যাগ করে তৎপরিবর্তে নারী প্রতিমাপুঞ্জকেই আহ্বান করে এবং তারা বিদ্রোহী শয়তানকে ব্যতীত আহ্বানে করে না।
১১৮ لَّعَنَهُ اللَّهُ ۘ وَقَالَ لَأَتَّخِذَنَّ مِنْ عِبَادِكَ نَصِيبًا مَّفْرُوضًا
আল্লাহ তাকে অভিসম্পাত করেছেন এবং সে বলেছিল যেঃ আমি অবশ্যই তোমার বান্দাদের হতে এক নির্দিষ্ট অংশ গ্রহণ করবো।
১১৯ وَلَأُضِلَّنَّهُمْ وَلَأُمَنِّيَنَّهُمْ وَلَآمُرَنَّهُمْ فَلَيُبَتِّكُنَّ آذَانَ الْأَنْعَامِ وَلَآمُرَنَّهُمْ فَلَيُغَيِّرُنَّ خَلْقَ اللَّهِ ۚ وَمَن يَتَّخِذِ الشَّيْطَانَ وَلِيًّا مِّن دُونِ اللَّهِ فَقَدْ خَسِرَ خُسْرَانًا مُّبِينًا
এবং নিশ্চয়ই আমি তাদেরকে পথভ্রান্ত করবো, মিথ্যা আশ্বাস দিবো এবং তাদেরকে আদেশ করবো, যেন তারা পশুর কর্ণ ছেদন করে এবং তাদেরকে আদেশ করবো, যেন তারা আল্লাহর সৃষ্টি পরিবর্তন করে এবং যে আল্লাহকে পরিত্যাগ করে শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, নিশ্চয়ই সে প্রকাশ্য ক্ষতিতে ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
১২০ يَعِدُهُمْ وَيُمَنِّيهِمْ ۖ وَمَا يَعِدُهُمُ الشَّيْطَانُ إِلَّا غُرُورًا
তিনি তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেন ও আশ্বাস দান করেন এবং শয়তান প্রতারণা ব্যতীত তাদেরকে প্রতিশ্রুতি প্রদান করে না।
১২১ أُولَـٰئِكَ مَأْوَاهُمْ جَهَنَّمُ وَلَا يَجِدُونَ عَنْهَا مَحِيصًا
তাদেরই বাসস্থান জাহান্নাম এবং সেখান হতে তারা কোন আশ্রয়স্থল পাবে না।
১২২ وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ سَنُدْخِلُهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا ۖ وَعْدَ اللَّهِ حَقًّا ۚ وَمَنْ أَصْدَقُ مِنَ اللَّهِ قِيلًا
এবং যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, আমি তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবো যার নিন্মে স্রোতস্বিনীসমূহ প্রবাহিত, তন্মধ্যে তারা চিরকাল অবস্থান করবে, আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য; এবং কে আল্লাহ অপেক্ষা বাক্যে অধিকতর সত্যপরায়ণ?
১২৩ لَّيْسَ بِأَمَانِيِّكُمْ وَلَا أَمَانِيِّ أَهْلِ الْكِتَابِ ۗ مَن يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ وَلَا يَجِدْ لَهُ مِن دُونِ اللَّهِ وَلِيًّا وَلَا نَصِيرًا
না তোমাদের বৃথা আশায় কাজ হবে আর না আহলে কিতাবের বৃথা আশায়। যে অসৎ কাজ করবে, সে তার প্রতিফল পাবে এবং সে আল্লাহর পরিবর্তে কাউকেও বন্ধু এবং সাহায্যকারী পাবে না।
১২৪ وَمَن يَعْمَلْ مِنَ الصَّالِحَاتِ مِن ذَكَرٍ أَوْ أُنثَىٰ وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَأُولَـٰئِكَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ وَلَا يُظْلَمُونَ نَقِيرًا
পুরুষ অথবা নারীর মধ্যে যে কেউ সৎকার্য করে আর সে বিশ্বাসীও হয় তবে তারাই জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তারা খেজুর কণা পরিমাণও অত্যাচারিত হবে না।
১২৫ وَمَنْ أَحْسَنُ دِينًا مِّمَّنْ أَسْلَمَ وَجْهَهُ لِلَّهِ وَهُوَ مُحْسِنٌ وَاتَّبَعَ مِلَّةَ إِبْرَاهِيمَ حَنِيفًا ۗ وَاتَّخَذَ اللَّهُ إِبْرَاهِيمَ خَلِيلًا
আর যে আল্লাহর উদ্দেশ্যে আত্মসমর্পণ করেছে ও সৎকার্য করে এবং ইব্রাহীমের সুদৃঢ় ধর্মের অনুসরণ করে, তার অপেক্ষা কার ধর্ম উৎকৃষ্ট? এবং আল্লাহ ইব্রাহীমকে স্বীয় বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছিলেন।
১২৬ وَلِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۚ وَكَانَ اللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ مُّحِيطًا
এবং নভোমণ্ডলে যা কিছু ও ভূ-মণ্ডলে যা কিছু আছে তা আল্লাহরই জন্যে এবং আল্লাহ সর্ব বিষয়ে পরিবেষ্টনকারী।
১২৭ وَيَسْتَفْتُونَكَ فِي النِّسَاءِ ۖ قُلِ اللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِيهِنَّ وَمَا يُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ فِي الْكِتَابِ فِي يَتَامَى النِّسَاءِ اللَّاتِي لَا تُؤْتُونَهُنَّ مَا كُتِبَ لَهُنَّ وَتَرْغَبُونَ أَن تَنكِحُوهُنَّ وَالْمُسْتَضْعَفِينَ مِنَ الْوِلْدَانِ وَأَن تَقُومُوا لِلْيَتَامَىٰ بِالْقِسْطِ ۚ وَمَا تَفْعَلُوا مِنْ خَيْرٍ فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ بِهِ عَلِيمًا
এবং তারা তোমার নিকট নারীদের সম্বন্ধে বিধান জিজ্ঞেস করেছে; তুমি বলঃ আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের সম্বন্ধে ব্যবস্থা দান করেছেন এবং ইয়াতীম নারীদের সম্বন্ধে তোমাদের প্রতি গ্রন্থ হতে পাঠ করা হয়েছে, যাদের জন্যে যা বিধিবদ্ধ হয়েছে তা তোমরা তাদেরকে প্রদান করনা অথচ তাদেরকে বিয়ে করতে বাসনা কর; (আর বলা হয়েছে) এবং শিশুগণের মধ্যে দুর্বলদের ও ইয়াতীমদের প্রতি যেন সুবিচার প্রতিষ্ঠা কর এবং তোমরা যে সৎকার্য কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ সে বিষয়ে খুব জানেন।
১২৮ وَإِنِ امْرَأَةٌ خَافَتْ مِن بَعْلِهَا نُشُوزًا أَوْ إِعْرَاضًا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يُصْلِحَا بَيْنَهُمَا صُلْحًا ۚ وَالصُّلْحُ خَيْرٌ ۗ وَأُحْضِرَتِ الْأَنفُسُ الشُّحَّ ۚ وَإِن تُحْسِنُوا وَتَتَّقُوا فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرًا
যদি কোন স্ত্রীলোক স্বীয় স্বামীর অসদাচরণ ও উপেক্ষার আশঙ্কা করে, তবে তারা পরস্পর কোন সুমীমাংসায় উপনীত হলে তাদের উভয়ের কোন অপরাধ নেই এবং মীমাংসাই কল্যাণকর এবং মনের মধ্যে কৃপণতার প্রলোভন বিদ্যমান রয়েছে আর যদি তোমরা উত্তম কাজ কর ও সংযমী হও তবে তোমরা যা করছো সে বিষয়ে আল্লাহ সম্যক অবগত।
১২৯ وَلَن تَسْتَطِيعُوا أَن تَعْدِلُوا بَيْنَ النِّسَاءِ وَلَوْ حَرَصْتُمْ ۖ فَلَا تَمِيلُوا كُلَّ الْمَيْلِ فَتَذَرُوهَا كَالْمُعَلَّقَةِ ۚ وَإِن تُصْلِحُوا وَتَتَّقُوا فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ غَفُورًا رَّحِيمًا
তোমরা কখনো স্ত্রীগণের মধ্যে সুবিচার করতে পারবে না যদিও তোমরা কামনা কর, সুতরাং তোমরা কোন এক জনের প্রতি সম্পূর্ণরূপে ঝুঁকে পড়ো না ও অপরজনকে ঝুলানো অবস্থায় রেখো না এবং যদি তোমরা নিজেদের সংশোধন কর ও সংযমী হও তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল, করুণাময়।
১৩০ وَإِن يَتَفَرَّقَا يُغْنِ اللَّهُ كُلًّا مِّن سَعَتِهِ ۚ وَكَانَ اللَّهُ وَاسِعًا حَكِيمًا
এবং যদি তারা উভয়ে বিচ্ছিন্ন হয়, তবে আল্লাহ স্বীয় প্রাচুর্য হতে তাদের প্রত্যেককে সম্পদশালী করবেন এবং আল্লাহ মহান দাতা, মহাজ্ঞানী।
১৩১ وَلِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ وَلَقَدْ وَصَّيْنَا الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِن قَبْلِكُمْ وَإِيَّاكُمْ أَنِ اتَّقُوا اللَّهَ ۚ وَإِن تَكْفُرُوا فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۚ وَكَانَ اللَّهُ غَنِيًّا حَمِيدًا
নভোমণ্ডলে যা কিছু রয়েছে ও ভূ-মণ্ডলে যা কিছু রয়েছে তা আল্লাহরই জন্য এবং নিশ্চয়ই তোমাদের পূর্বে যাদেরকে গ্রন্থ প্রদত্ত হয়েছিল, আমি তাদেরকে ও তোমাদেরকে চরম আদেশ করেছিলাম যে, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং যদি অবিশ্বাস কর তবে নিশ্চয়ই নভোমণ্ডলে যা কিছু আছে ও ভূ-মণ্ডলে যা কিছু আছে তা আলাহরই এবং আল্লাহ মহা সম্পদশালী প্রশংসিত।
১৩২ وَلِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۚ وَكَفَىٰ بِاللَّهِ وَكِيلًا
এবং আকাশসমূহে যা কিছু রয়েছে ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা আল্লাহরই এবং আল্লাহই কার্য সম্পাদনে যথেষ্ট।
১৩৩ إِن يَشَأْ يُذْهِبْكُمْ أَيُّهَا النَّاسُ وَيَأْتِ بِآخَرِينَ ۚ وَكَانَ اللَّهُ عَلَىٰ ذَٰلِكَ قَدِيرًا
যদি তিনি ইচ্ছে করেন, তবে হে লোক সকল! তোমাদেরকে ধ্বংস করে অন্যদেরকে আনয়ন করবেন এবং আল্লাহ এরূপ করতে সম্পূর্ণ সক্ষম।
১৩৪ مَّن كَانَ يُرِيدُ ثَوَابَ الدُّنْيَا فَعِندَ اللَّهِ ثَوَابُ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ ۚ وَكَانَ اللَّهُ سَمِيعًا بَصِيرًا
যে ইহলোকের প্রতিদান আকাঙ্ক্ষা করে তবে আল্লাহর নিকট ইহলোক ও পরলোকের প্রতিদান রয়েছে এবং আল্লাহ শ্রবণকারী পরিদর্শক।
১৩৫ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُونُوا قَوَّامِينَ بِالْقِسْطِ شُهَدَاءَ لِلَّهِ وَلَوْ عَلَىٰ أَنفُسِكُمْ أَوِ الْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِينَ ۚ إِن يَكُنْ غَنِيًّا أَوْ فَقِيرًا فَاللَّهُ أَوْلَىٰ بِهِمَا ۖ فَلَا تَتَّبِعُوا الْهَوَىٰ أَن تَعْدِلُوا ۚ وَإِن تَلْوُوا أَوْ تُعْرِضُوا فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرًا
হে মু’মিনগণ! তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য দানকারী, সুবিচারে প্রতিষ্ঠিত থাকবে- এবং যদিও এটা তোমাদের নিজের অথবা পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের বিরূদ্ধে হয়, যদি সে সম্পদশালী বা দরিদ্র হয়, তবে আল্লাহই তাদের জন্যে যথেষ্ট; অতএব, সুবিচারে স্বীয় প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না, এবং যদি তোমরা (বর্ণনায়) বক্রতা অবলম্বন কর বা পশ্চাৎপদ হও, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তোমাদের সমস্ত কর্মের পূর্ণ সংবাদ রাখেন।
১৩৬ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا آمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِي نَزَّلَ عَلَىٰ رَسُولِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِي أَنزَلَ مِن قَبْلُ ۚ وَمَن يَكْفُرْ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا بَعِيدًا
হে মু’মিনগণ! তোমরা বিশ্বাস স্থাপন কর আল্লাহর প্রতি ও তাঁর রাসূলের প্রতি এবং এ কিতাবের প্রতি যা তিনি তাঁর রাসূলের উপর অবতীর্ণ করেছেন এবং ঐ কিতাবের প্রতি যা পূর্বে অবতীর্ণ করেছিলেন এবং যে কেউ আল্লাহ তদীয় ফেরেশতাসমূহ, তাঁর কিতাবসমূহ তাঁর রাসূলগণ এবং পরকাল সম্বন্ধে অবিশ্বাস করে, তবে নিশ্চয়ই ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট হয়েছে।
১৩৭ إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا ثُمَّ كَفَرُوا ثُمَّ آمَنُوا ثُمَّ كَفَرُوا ثُمَّ ازْدَادُوا كُفْرًا لَّمْ يَكُنِ اللَّهُ لِيَغْفِرَ لَهُمْ وَلَا لِيَهْدِيَهُمْ سَبِيلًا
নিশ্চয়ই যারা বিশ্বাস করে তৎপর অবিশ্বাসী হয়, পুনরায় বিশ্বাস স্থাপন করে অবিশ্বাস করে, অনন্তর অবিশ্বাসে পরিবর্ধিত হয়, তবে আল্লাহ কখনো তাদেরকে ক্ষমা করবেন না এবং তাদেরকে পথ প্রদর্শন করবেন না।
১৩৮ بَشِّرِ الْمُنَافِقِينَ بِأَنَّ لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا
সেই সব মুনাফিকদেরকে সুসংবাদ দাও যে, তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে।
১৩৯ الَّذِينَ يَتَّخِذُونَ الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاءَ مِن دُونِ الْمُؤْمِنِينَ ۚ أَيَبْتَغُونَ عِندَهُمُ الْعِزَّةَ فَإِنَّ الْعِزَّةَ لِلَّهِ جَمِيعًا
যারা মু’মিনদেরকে পরিত্যাগ করে কাফিরদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করে তারা কি তাদের নিকট সম্মান প্রত্যাশা করে? কিন্তু যাবতীয় সম্মানই আল্লাহর।
১৪০ وَقَدْ نَزَّلَ عَلَيْكُمْ فِي الْكِتَابِ أَنْ إِذَا سَمِعْتُمْ آيَاتِ اللَّهِ يُكْفَرُ بِهَا وَيُسْتَهْزَأُ بِهَا فَلَا تَقْعُدُوا مَعَهُمْ حَتَّىٰ يَخُوضُوا فِي حَدِيثٍ غَيْرِهِ ۚ إِنَّكُمْ إِذًا مِّثْلُهُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ جَامِعُ الْمُنَافِقِينَ وَالْكَافِرِينَ فِي جَهَنَّمَ جَمِيعًا
এবং নিশ্চয়ই তিনি তোমাদের গ্রন্থের মধ্যে নির্দেশ করেছেন যে, যখন তোমরা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের প্রতি অবিশ্বাস করতে এবং তার প্রতি উপহাস করতে শ্রবণ কর, তখন তাদের সাথে বসবে না, যে পর্যন্ত না তারা অন্য কথার আলোচনা করে, অন্যথা তোমরাও তাদের সদৃশ হয়ে যাবে, নিশ্চয়ই আল্লাহ সে সমস্ত মুনাফিক ও কাফিরদেরকে জাহান্নামে সমবেতকারী।
১৪১ الَّذِينَ يَتَرَبَّصُونَ بِكُمْ فَإِن كَانَ لَكُمْ فَتْحٌ مِّنَ اللَّهِ قَالُوا أَلَمْ نَكُن مَّعَكُمْ وَإِن كَانَ لِلْكَافِرِينَ نَصِيبٌ قَالُوا أَلَمْ نَسْتَحْوِذْ عَلَيْكُمْ وَنَمْنَعْكُم مِّنَ الْمُؤْمِنِينَ ۚ فَاللَّهُ يَحْكُمُ بَيْنَكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ۗ وَلَن يَجْعَلَ اللَّهُ لِلْكَافِرِينَ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ سَبِيلًا
যারা তোমাদের সম্বন্ধে ওঁতপেতে থাকে এবং যদি তোমাদের আল্লাহর পক্ষ হতে জয়লাভ হয় তবে তারা বলেঃ আমরা কি তোমাদের সঙ্গে ছিলাম না? এবং যদি ওটা অবিশ্বাসীদের ভাগ্যে ঘটে তবে বলেঃ আমরা কি তোমাদের নেতৃত্ব করিনি? অনন্তর আল্লাহ উত্থান দিবসে তোমাদের মধ্যে বিচার করবেন; এবং কখনো আল্লাহ মুমিনদের প্রতিপক্ষে কাফিরদেরকে বিজয়ী করবেন না।
১৪২ إِنَّ الْمُنَافِقِينَ يُخَادِعُونَ اللَّهَ وَهُوَ خَادِعُهُمْ وَإِذَا قَامُوا إِلَى الصَّلَاةِ قَامُوا كُسَالَىٰ يُرَاءُونَ النَّاسَ وَلَا يَذْكُرُونَ اللَّهَ إِلَّا قَلِيلًا
নিশ্চয়ই মুনাফিকরা আল্লাহর সঙ্গে প্রতারণা করে এবং তিনিও তাদেরকে ঐ প্রতারণা প্রত্যর্পণ করেছেন এবং যখন তারা নামাযের জন্যে দন্ডায়মান হয় তখন লোকদেরকে দেখাবার জন্যে আলস্যভরে দন্ডায়মান হয়ে থাকে এবং আল্লাহকে খুব কমই স্মরণ করে থাকে।
১৪৩ مُّذَبْذَبِينَ بَيْنَ ذَٰلِكَ لَا إِلَىٰ هَـٰؤُلَاءِ وَلَا إِلَىٰ هَـٰؤُلَاءِ ۚ وَمَن يُضْلِلِ اللَّهُ فَلَن تَجِدَ لَهُ سَبِيلًا
যারা এর মধ্যে সন্দেহ দোলায় দোদুল্যমান রয়েছে তারা এদিকেও নয় ওদিকেও নয় এবং আল্লাহ যাকে পথভ্রান্ত করেছেন বস্তুতঃ তুমি তার জন্যে কোনই পথ পাবে না।
১৪৪ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاءَ مِن دُونِ الْمُؤْمِنِينَ ۚ أَتُرِيدُونَ أَن تَجْعَلُوا لِلَّهِ عَلَيْكُمْ سُلْطَانًا مُّبِينًا
হে মু’মিনগণ! তোমরা মু’মিনদেরকে ছেড়ে কাফিরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, তোমরা কি আল্লাহকে তোমাদের বিরুদ্ধে স্পষ্ট প্রমাণ দিতে চাও?
১৪৫ إِنَّ الْمُنَافِقِينَ فِي الدَّرْكِ الْأَسْفَلِ مِنَ النَّارِ وَلَن تَجِدَ لَهُمْ نَصِيرًا
নিশ্চয়ই মুনাফিকরা জাহান্নামের নিন্মতর স্তরে অবস্থিত হবে এবং তুমি কখনো তাদের জন্যে সাহায্যকারী পাবে না।
১৪৬ إِلَّا الَّذِينَ تَابُوا وَأَصْلَحُوا وَاعْتَصَمُوا بِاللَّهِ وَأَخْلَصُوا دِينَهُمْ لِلَّهِ فَأُولَـٰئِكَ مَعَ الْمُؤْمِنِينَ ۖ وَسَوْفَ يُؤْتِ اللَّهُ الْمُؤْمِنِينَ أَجْرًا عَظِيمًا
কিন্তু যারা ক্ষমা প্রার্থনা করে ও সংশোধিত হয় এবং আল্লাহকে সুদৃঢ়ভাবে ধারণ করে ও আল্লাহর জন্যে তাদের দ্বীনকে বিশুদ্ধ করে, ফলতঃ তারাই মু’মিনদের সঙ্গী এবং অচিরেই আল্লাহ মু’মিনদেরকে উত্তম প্রতিদান প্রদান করবেন।
১৪৭ مَّا يَفْعَلُ اللَّهُ بِعَذَابِكُمْ إِن شَكَرْتُمْ وَآمَنتُمْ ۚ وَكَانَ اللَّهُ شَاكِرًا عَلِيمًا
যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও ও বিশ্বাস স্থাপন কর তবে আল্লাহ তোমাদেরকে শাস্তি প্রদান করে কি করবেন? এবং আল্লাহ গুণগ্রাহী মহাজ্ঞানী।
১৪৮ لَّا يُحِبُّ اللَّهُ الْجَهْرَ بِالسُّوءِ مِنَ الْقَوْلِ إِلَّا مَن ظُلِمَ ۚ وَكَانَ اللَّهُ سَمِيعًا عَلِيمًا
আল্লাহ কারো অত্যাচারিত হওয়া ব্যতীত অপ্রিয় বাক্য প্রকাশ করা ভালোবাসেন না এবং আল্লাহ শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী।
১৪৯ إِن تُبْدُوا خَيْرًا أَوْ تُخْفُوهُ أَوْ تَعْفُوا عَن سُوءٍ فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ عَفُوًّا قَدِيرًا
যদি তোমরা সৎকার্য প্রকাশ কর বা গোপন কর কিংবা অসদ্বিষয় ক্ষমা কর, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাদানকারী, সর্বশক্তিমান।
১৫০ إِنَّ الَّذِينَ يَكْفُرُونَ بِاللَّهِ وَرُسُلِهِ وَيُرِيدُونَ أَن يُفَرِّقُوا بَيْنَ اللَّهِ وَرُسُلِهِ وَيَقُولُونَ نُؤْمِنُ بِبَعْضٍ وَنَكْفُرُ بِبَعْضٍ وَيُرِيدُونَ أَن يَتَّخِذُوا بَيْنَ ذَٰلِكَ سَبِيلًا
নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের প্রতি অবিশ্বাস করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের মধ্যে পার্থক্য করতে ইচ্ছা করে এবং বলে যে, আমরা কতিপয়কে বিশ্বাস করি, এবং কতিপয়কে প্রত্যাখ্যান করি। এবং তারা এ মধ্যবর্তী পথ অবলম্বন করতে ইচ্ছা করে।
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x