লাইব্রেরী ও সমাধি নির্মাণের পর আত্মনিয়োগ করি আমি লাইব্রেরীটির শুভ উদ্বোধন ও উৎসর্গ পর্ব সমাধার কাজে। এ কাজে আমাকে সর্বাত্মক সাহায্য ও সহযোগিতা দান করেন ব্রজমোহন কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক শ্রদ্ধেয় কাজী গোলাম কাদির সাহেব ও সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের মাননীয় অধ্যক্ষ মো. হানিফ সাহেব।

অধ্যক্ষ মো. হানিফ সাহেবের প্রচেষ্টায় বিগত ২৩-৮-৮৬ (বাং) তারিখ সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের ফুটবল খেলার বিজয়োৎসব অনুষ্ঠানে বসে তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলা প্রশাসক সাহেব আমার কাছে লাইব্রেরী সংক্রান্ত পরিকল্পনার একটি লিখিত খসড়া তলব করেন এবং আমি তা তাঁর কাছে পেশ করি অধ্যক্ষ মো. হানিফ সাহেবের মারফতে বিগত ১৭-১১-৮৬ তারিখে। আমার সে পরিকল্পনাটি দেখতে পাওনা যাবে ‘স্মরণিকা’- এর শেষের দিকে ‘ট্রাস্টনামা’ (দানপত্র) দলিলখানিতে। সেই পরিকল্পনা দেখতে পেয়ে আমার ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানটির প্রতি বিদ্যোৎসাহী জেলা প্রশাসক সাহেবের শুভদৃষ্টি নিপতিত হয়। তাই তিনি লামচরির মতো নোংরা পরিবেশে অবস্থিত আমার ক্ষুদ্র লাইব্রেরীটির শুভ উদ্বোধন পর্বে পৌরহিত্য করতে সম্মত হ্ন এবং বিগত ২৫-১-৮১ (ইং) তারিখে তিনি নিম্নলিখিত সুধীবৃন্দ সমাবেশে আমার লাইব্রেরীটির শুভ উদ্বোধন পর্বে আতিথ্য গ্রহণ করেন, যাদের শুভাগমনে আমার অনুষ্ঠানটি হয় গৌরবোজ্জল এবং ক্ষুদ্র লাইব্রেরীটি হয় মহিমান্বিত।

 

সুধীবৃন্দের

 নাম

(১) মাননীয় আ. আউয়াল, জেলা প্রশাসক, বাকেরগঞ্জ।

(২) জনাব আ. কাইয়ুম ঠাকুর, সহকারী জেলা প্রশাসক (শিক্ষা)।

(৩)জনাব সৈয়দ মোশাররফ হোসেন, নাজীর কালেক্ট্রী, বরিশাল।

(৪) জনাব আব্দুল কাইয়ুম, সাংবাদিক ও জি. পি. বরিশাল।

(৫) জনাব কাজী গোলাম কাদির, অধ্যাপক, বি. এম. কলেজ, বরিশাল।

(৬) জনাব মো.  হানিফ, অধ্যক্ষ, সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল।

(৭) জনাব মো. সিরাজুল হক, অধ্যক্ষ, বরিশাল কলেজ, বরিশাল।

(৮) জনাব বদিউর রহমান, অধ্যাপক, সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল।

সর্বাগ্রে মাননীয় জেলা প্রশাসক সাহেব লাইব্রেরীর দারোদঘাটনপূর্বক শুভ উদ্বোধন পর্ব সমাধা করেন।

অনুষ্ঠানে মাননীয় জেলা প্রশাসক সাহেবকে প্রধান অতিথি এবং অধ্যাপক জনাব সিরাজুল হককে সভাপতি পদে বরণ করা হয়। শুরুতে আমি একটি লিখিত ভাষণ পাঠ করি। ভাষণটি নিম্নে উদ্ধৃত করা হল।

0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x