ঢাউরা বিৎ হচ্ছে এই রকমঃ ডাইন কি দেবতা। কি দুঃখ খড়িতে উঠলে, সেটা সঠিক করবার জন্য জলাশয়ের পাড়ে ডাল পোঁতে। সাক্ষী হিসেবে একটি ডাল মাঝখানে প্রথমে পোঁতে তারপর ঘরের দেবতার নামে একটি, তারপর ‘মাইহার’ এর (শশুরবাড়ির) দেবতার নামে একটি, তারপর ভায়াদি কুটুমের নামে একটি, ওটার পর মেয়ে, বোনদের নামে একটি, সেটার পর প্রতি ঘরের নামে একটি ডাল পোঁতে। প্রতি ডালে সিন্দরুর দিয়ে যায়। তারপর চাল ছড়িয়ে ‘বাঁখের’ করেঃ প্রণাম তবে সিঞবঙ্গা (সূর্যদেব)। বেড়ার মত চারদিক ঘিরে রেখেছে, চারখুঁট সারা পৃথিবী ভয়ে রয়েছে তবে এই যে ডালী কালী করছে, দোষেরই দোষ করে, সেইটাই যেন শুকনো হয়ে ঝরে যায়, সাক্ষী রহিলেন আর যদি না হয়, সবুজ হয়ে নতুন পাতা বাহির হবে, সোনার মত সুন্দর থাকবে (বলে ডাল পুঁতবে)।

আরও বলেঃ যদি দেবতা হয়, এটাই যেন শুকনো মচমচে হয়ে যায়, যদি না হয় সোনার মত সত্যই (খাঁটি থাকবেন) সাক্ষী রইলেন। সেইরুপ প্রত্যেকের নামে প্রতি ডালে ‘বাঁখের’ করবে। এইসব করার পর ঘরে চলে যায়। পাঁচ ঘণ্টা পরে ফিরে আসে ডাল দেখবার জন্য। যে নামের ডাল মরেছে, সেটাই ঠিক হবে। ডাইনে যদি ঠিক হল, যত ঘরের মরে যাবে ওরাই ডাইন হবে। তারপর অন্য গ্রামের পুনরায় সেইরূপ ‘সুহি’ (বাছাই) করিবে দুই দিন জায়গায়। তারপর সেই দুঃখ পাওয়া লোকটিকে বলবেঃ এই যে একটি তোমাকে ঠিক করে দিলাম, এখন গুরুর কাছে নিয়ে যাচ্ছ, না ভাল হয়ে গেছ? সে উত্তর দিবেঃ কমছে না, গুরুর কাছ থেকে যাচাই করে নিয়ে আসি। দিন ঠিক করে জানের কাছে চলে গেল।

0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x