সত্তরের দশকের গোড়ায় কর্ণাটকের পান্ডপুরে কৃষ্ণের অবতার হিসেবে উপস্থিত হয় বালক কিট্টি। বালকটির মা-বাবা ছাড়া সাঁইবাবাও ঘোষণা করেন, ও ভগবান সাঁই ও ভগবান কৃষ্ণের অবতার সাঁইকৃষ্ণ। ভক্তের ভীড়েরও অভাব হল না। শোনা গেল সাঁই-ভজনের সময় সাঁইকৃষ্ণ শূন্য থেকে পবিত্র সুগন্ধি ছাই তৈরি করে ভক্তদের মধ্যে বিলি করে। ভক্তদের মধ্যে ডাক্তার বা ডক্টরেটরও অভাব হল না। ব্যাঙ্গালোরের ডঃ জি. ভেঙ্কটরাও আবির্ভূত হলেন এই ধরনের এক ভক্ত প্রচারকারী হিসেবে।

সাঁইকৃষ্ণের ঈশ্বর-ব্যবসা যখন জমজমাট, সেই সময় ১৯৭৬ সালে ১৫ জুলাই ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য পরমাণু বিজ্ঞানী ডঃ এইচ নরসিমাইয়ার নেতৃত্বে এক অনুসন্ধানকারী দল হঠাৎই হাজির হন সাঁইকৃষ্ণের বাড়িতে। এই দলে ছিলেন বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, যাদুকর, আইনব্যবসায়ী প্রমুখ। দিনটি ছিল সাঁইকৃষ্ণের ভজনার বিশেষ দিন। এই দিনটিতে ভক্তদের সামনেই সাঁইকৃষ্ণ পবিত্র বিভূতি বিলি করেন। যুক্তিবাদী এই দল ভক্তদের সামনেই সাঁইকৃষ্ণের পোশাকের আড়ালে লুকিয়ে রাখা সুগন্ধি ছাই বের করে দেন। সাঁইকৃষ্ণের এই বুজরুকি ধরা পড়ে যাওয়ার ওর জমজমাট ঈশ্বর ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়।

error: Content is protected !!
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x