“Precious baby sweetly sleep

Sleep in speace,

Sleep in Comfort slumber deep

I will rock you

Rock you, rock you, rock you.”

(একটি জার্মান ঘুমপাড়ানি গান)

©

টিংকু আহমেদ

নবম মুদ্রণঃ ২০১৭

অষ্টম মুদ্রণঃ অক্টোবর ২০১২

সপ্তম মুদ্রণঃ জানুয়ারী ২০১০

ষষ্ঠ মুদ্রণঃ ডিসেম্বর ২০০৪

পঞ্চম মুদ্রণঃ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯

চতুর্থ মুদ্রণঃ আগস্ট ১৯৯৪

প্রথম প্রকাশঃ পহেলা ফেব্রুয়ারী ১৯৯৩

প্রতীক প্রকাশনা সংস্থা, ৩৮/২ক বাংলাবাজার (দোতলা), ঢাকা ১১০০-র পক্ষে

নূর-ই-মুনতাকিম আলমগীর কর্তৃক প্রকাশিত এবং

নিউ পূবালী মুদ্রায়ণ ৪৬/১, ৪৬/২ হেমেন্দ্র দাস রোড

সূত্রাপুর, ঢাকা-১১০০ কর্তৃক মুদ্রিত।

প্রচ্ছদঃ সমর মজুমদার

ISVB 984-446-0-12-3

একমাত্র পরিবেশকঃ অবসর প্রকাশনা সংস্থা

বিক্রয়কেন্দ্রঃ ৩৮/২ক বাংলাবাজার (দোতলা), ঢাকা-১১০০

উৎসর্গ

কবি সাহেব দেওয়ান গোলাম মোর্তাজা

কবি-পত্নী আম্বিয়া খাতুন

যুগলেষু

 

ভূমিকা

সবারই কিছু ব্যক্তিগত গল্প থাকে, আমারো আছে। একান্তই নিজের গল্প। হঠাত হঠাত গল্পগুলি অন্যকে শোনাতে ইচ্ছা করে, কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই করে না। মনে হয় –  আমার আপন আঁধার অন্যকে জানিয়ে কি হবে? থাকুক না সেগুলো পুরোনো ডাইরীতে। তাই হয়তো থাকতো। এক সন্ধ্যায় গুলতেকিন বলল, তুমি যে একবার জিন দেখেছিলে সেই গল্পটা লিখে ফেলো না কেন? দারুন ব্যাপার।

ব্যাপারটা মোটেই দারুন নয়। ১৯৭১ সালে যখন আমরা বরিশালের গোয়ারেখা নামক এক গ্রামে পালিয়ে ছিলাম তখন এক পীর সাহেব আমাদের জিন দেখিয়েছিলেন। ঠিক সন্ধ্যায় বেঁটে খাটো এক জিন (?) আমাদের চোখের সামনে লাফালাফি করতে লাগল। দৃষ্টি বিভ্রম নয়, আমরা সব ভাইবোন দৃশ্যটি দেখে আতঙ্কে জমে গিয়েছিলাম। সেই জিন দেখার গল্পটি লিখতে গিয়ে আমার আপন আঁধার লেখা হল। তবে জিন দেখার গল্পটি বাদ পড়ল। এই গল্প বলার সময় এখনো আসেনি।

হুমায়ূন আহমেদ

১/২/১৯৯৩

নিউ এলিফেন্ট রোড

ঢাকা